ঘন ঘন ভূমিকম্পেও হৃদয় কাঁপে না
অমনোযোগী ভাবনারা কচুরিপানার ফুলেরা মতন
বাফারিং হতে হতে রাজ্যের ক্লান্তি নিয়ে
সেই বায়োলুমিনেসেন্স দ্বীপের মতনই জেগে রয়।
মস্তিষ্কের সংগ্রামকে কবিতার ভাষায় প্রকাশ অসম্ভব যুক্তি-তক্কো আর কোমল অনুভূতিদের লড়াই চলমান
আমার মন যেন অসংখ্য জানালার ঘর—
হাওয়া ঢোকে আর গল্প হয়ে যায়, শব্দ আসে- আর পথ দেখিয়ে দেয়।
ভাবনাগুলো হাঁটে না,
তারা ছুটে, ধূমকেতুর চেয়ে দ্রুত সংঘর্ষে!
রোদ্দুরে ফুটে ওঠা আতশবাজির মতো
প্রতিটি বর্ণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে।
একটা ভাবনা ধরতে যাই,
আরেকটা কাঁধে এসে টোকা দেয়,
আরো একটা দূর থেকে ডেকে ওঠে
শেষে ছুয়ে দেখি, হাতে লেগে আছে নীল শূন্যতা
ফেলে গেছে “কাছাকাছির“ নরম প্রতিধ্বনি।
মনোযোগ এখান গোল্ডফিশের মতো-
সোনালী রং- কিন্তু কমলা দেখতে,
ঝিলমিল করে নীল বিদ্যুত গতিতে,
কিন্তু স্থির আর হয় না সহজে;
দুনিয়া যখন শান্ত হয়, দয়া করে আমাকে
ভেতরের ‘তাড়াহুড়ারা’ একটু নরম হয়।
তারপরও,
এই ঝড়ের গতির ভেতরেই
এক অদ্ভুত সৌন্দর্য আছে!
“উদ্ভাবন”- বেড়া টপকে যায়,
“কৌতূহল”- একদমই ঘুমোতে দিতে চায় না,
“সৃষ্টিশীলতা”- একটা আগুন যা নিভতে জানে না।
হ্যাঁ, আমাদের “মনোযোগ ঘাটতি” এমনি
কিন্তু ঐ মহাজাগতিক মারপ্যাঁচে
আমি খুঁজে পেয়েছি সেই সরল অলীক পথ
যেখানে যাওয়ার কথা ভুলে যাচ্ছো দিনকে দিন।
শুধু মনে রেখো অতিসক্রিয়তা ব্যাধিতেও-
“একত্ব
সংযোগ
অপ্রত্যাশিত
ভালোবাসাও”।





