আমাদের বেশিরভাগ মানুষের জীবনই অবদমনের একেকটা গোডাউন!
ব্যক্তিগত সংস্কার, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, বৈশ্বিক বিভিন্ন চাপে বিকশিত হওয়া দূরে থাক, জীবন মাথা তুলিয়া দাঁড়াইতে পারে না পর্যন্ত!
এইভাবে চলিতে চলিতে এক সময় দাঁড়াইবার চেষ্টাও লুপ্ত হইয়া যায়!
সন্দেহ-বাতিগ্রস্ত, মেধাহীন কোনো সাইকো যদি বস-এর(Boss)আসনে বসেন, সেখানকার অধস্তনদের দিন কীভাবে কাটে? নিঃসন্দেহে দুর্বিষহ!
সেই দুর্বিষহ দিন যদি পাড়ি দিতে হয় বছরের পর বছর ধরিয়া, তখন কেমন হয়? কিছুই বলিতে পারিতেছেন না, মনের ভিতরে জমিতে থাকে ক্ষোভের পাহাড়!
কর্মক্ষেত্র হইতে ঘরে ফিরিয়া দেখেন অসুস্থ পরিবেশ, স্বস্তি নাই দুইদণ্ড!
রাস্তায়, বাজারে… সর্বত্র যেন প্রতিকূলতা ষড়যন্ত্র পাকাইতে থাকে সারাক্ষণ!
এই চাপ সহ্য করা যায় না, বলাও যায় না কিছু! না বলা মানে সবকিছু মিটিয়া যাওয়া নয় বরং বিপদজনক ভাবে ভেতরে ভেতরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সঞ্চিত হইতে থাকে! আর, এই প্রতিক্রিয়ার প্রকাশ ব্যক্তি মানুষের বিভিন্ন আচরণে, কর্মে বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলিতে থাকে!
দুনিয়া আমার মনের মতো চলিবে না, ইহাতে সমস্যা নাই; সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন আমি দুনিয়াকে আমার মতো চালাইতে চাই, পাইতে চাই ।
এ অবস্থা হইতে মুক্তির উপায় কী? স্বস্তির পথ কোথায়? পথ একটাই, চারপাশের ক্রিয়ার(ঘটনা)পিছনে ছোটা নয় বরং সেই ক্রিয়া আমার ভিতরে কী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করিতেছে সেইটি দেখিতে পারা, ধরিতে পারা অর্থাৎ নিজেকে দেখা! নিজেকে দেখিতে হইলে কেন্দ্রে স্থির হইতে হয়। এই ‘স্থির’টুকু হইতে পারিয়াছি কি?

















নিজেকে দেখার চেষ্টাই হোক তাহলে…..